Sunday, February 14, 2016
Wednesday, February 3, 2016
মোদির নিজের কোনো গাড়ি নেই
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজস্ব
কোনো গাড়ি নেই। রাজধানী নয়াদিল্লিতে নেই তার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। প্রধানমন্ত্রীর
অফিস থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। অনলাইন জি নিউজ এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়, সর্বশেষ পৃষ্ঠা ১৭ কলাম
৩
তথ্য অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কোনো ‘মোটরযান/আকাশযান/প্রমোদতরী/জাহাজ’ নেই। দিল্লিতে তার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকায় তিনি ব্যাংকিং করেন গুজরাটে। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৬শে মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন নরেন্দ্র মোদি। তারপর ৩০শে জানুয়ারি পর্যন্ত তার সম্পর্কে যেসব তথ্য আছে তা প্রকাশ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের ওয়েবসাইটে।
তথ্য অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কোনো ‘মোটরযান/আকাশযান/প্রমোদতরী/জাহাজ’ নেই। দিল্লিতে তার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকায় তিনি ব্যাংকিং করেন গুজরাটে। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৬শে মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন নরেন্দ্র মোদি। তারপর ৩০শে জানুয়ারি পর্যন্ত তার সম্পর্কে যেসব তথ্য আছে তা প্রকাশ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের ওয়েবসাইটে।
Tuesday, February 2, 2016
নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মরণে ভাস্কর্য
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্মরণে
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রথমবারের মতো একটি পূর্ণাঙ্গ ভাস্কর্য উন্মোচন করা
হয়েছে।
সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বিপরীতে দাগ হ্যামারশোল্ড প্লাজায় স্থাপিত এ ভাস্কর্য উন্মোচন করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান ও নিউইয়র্ক স্টেটের গভর্নর এন্ড্রু কুওমোর আঞ্চলিক প্রতিনিধি হারেশ পারেখ।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ এবং নিউ ইয়র্ক সিটির পার্ক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সক্রিয় সমর্থনে ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছে।
বাংলাদেশি-আমেরিকান চারুশিল্পী খুরশিদ আলম সেলিমের নকশার ভিত্তিতে ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন বাংলাদেশের মৃণাল হক।
১৫ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্যটি এক ফুট উঁচু একটি বেদির ওপর স্থাপন করা হয়েছে। ফাইবার গ্লাসে তৈরি ভাস্কর্যটির কেন্দ্রে একজন মায়ের মূর্তি। তিনি মাতৃভাষার প্রতীক। তার পাশে বিভিন্ন ভাষা ও জাতির মানুষের প্রতীকী উপস্থাপন। তাদের উত্থিত হাতে রয়েছে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা।
কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে ভাস্কর্যটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
১৯৯২ সাল থেকে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন জাতিসংঘের সামনে প্রতিবছর একুশের প্রথম প্রহরে একটি প্রতীকী স্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছে।
ফাউন্ডেশনের মুখ্য নির্বাহী বিশ্বজিৎ সাহা জানিয়েছেন, এ বছর ঢাকার সঙ্গে মিল রেখে ২০ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় বেলা একটা এক মিনিটে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বিপরীতে দাগ হ্যামারশোল্ড প্লাজায় স্থাপিত এ ভাস্কর্য উন্মোচন করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান ও নিউইয়র্ক স্টেটের গভর্নর এন্ড্রু কুওমোর আঞ্চলিক প্রতিনিধি হারেশ পারেখ।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ এবং নিউ ইয়র্ক সিটির পার্ক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সক্রিয় সমর্থনে ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছে।
বাংলাদেশি-আমেরিকান চারুশিল্পী খুরশিদ আলম সেলিমের নকশার ভিত্তিতে ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন বাংলাদেশের মৃণাল হক।
১৫ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্যটি এক ফুট উঁচু একটি বেদির ওপর স্থাপন করা হয়েছে। ফাইবার গ্লাসে তৈরি ভাস্কর্যটির কেন্দ্রে একজন মায়ের মূর্তি। তিনি মাতৃভাষার প্রতীক। তার পাশে বিভিন্ন ভাষা ও জাতির মানুষের প্রতীকী উপস্থাপন। তাদের উত্থিত হাতে রয়েছে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা।
কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে ভাস্কর্যটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
১৯৯২ সাল থেকে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন জাতিসংঘের সামনে প্রতিবছর একুশের প্রথম প্রহরে একটি প্রতীকী স্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছে।
ফাউন্ডেশনের মুখ্য নির্বাহী বিশ্বজিৎ সাহা জানিয়েছেন, এ বছর ঢাকার সঙ্গে মিল রেখে ২০ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় বেলা একটা এক মিনিটে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
Monday, February 1, 2016
মঙ্গলে ২০২৫ সালে মানুষ পাঠাবে স্পেসএক্স!
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানো যাবে বলে আশা
প্রকাশ করছে স্পেসএক্স। হংকংয়ে
অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া স্টার্টমিআপএইচকে ফেস্টিভালে এই বিষয়ে জানিয়েছেন মাস্ক।
ব্যক্তিগত মহাকাশ অভিযান প্রসঙ্গে মাস্ক জানিয়েছেন, মহাকাশ
অভিযানের জন্য প্রস্তুত হতে তিনি ইতোমধ্যেই 'প্যারাবলিক ফ্লাইটস' পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এ
প্রসঙ্গে মাস্ক বলেন,
'সত্যি
কথা বলতে, আমার
মনে হয় না বিষয়টি ততটা কঠিন হবে। ভেসে
বেড়ানোর ব্যাপারটি তেমন কঠিন কিছু নয়।'
নিজ ইচ্ছা প্রকাশের পাশাপাশি মাস্ক জানিয়েছেন, ২০২৫ সাল
নাগাদ মানুষকে মঙ্গলে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে স্পেসএক্স। এ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিতব্য 'ইন্টারন্যাশনাল
অ্যাস্ট্রোনটিকাল কনফারেন্স'-এ
পরবর্তী প্রজন্মের মহাকাশযানের পরিকল্পনা উন্মোচন করবে স্পেসএক্স। বিষয়টি মানুষের মঙ্গল যাত্রার অন্যতম
গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছে সংবাদসংস্থা এনবিসিনিউজ।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ২০৩০ সাল নাগাদ মঙ্গলে
মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে। অন্যদিকে
মাস্ক-এর ভাষ্যে, ২০২৫
সাল নাগাদই সম্ভব হতে পারে মানুষের মঙ্গল অভিযান। এ প্রসঙ্গে মাস্ক আরো জানিয়েছেন, মঙ্গলে এমন একটি শহর গড়ে তোলা উচিত যেখানে মানুষ বসবাস করতে
পারে। এটি একদিকে যেমন মানুষকে রক্ষা করবে, অন্যদিকে
তাদেরকে উৎসাহিতও করবে। এ প্রসঙ্গে
মাস্ক-এর বক্তব্য হচ্ছে,
'এটি
হবে একটি অসাধারণ অভিযান,
এটি
হবে উৎসাহজনক ও প্রেরণাদায়ক এবং সেখানে এমন কিছু থাকা উচিত যা মানুষের মধ্যে উৎসাহ
সঞ্চার করবে।' বিডি নিউজ।
Subscribe to:
Posts (Atom)


